প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস
এ গ্রামের সম্ভ্রান্ত ধর্মভীরু মুসলিম পরিবার সমূহের মধ্যে শীর্ষস্থানে অবস্থান খান পরিবারের । বংশমর্যাদায় যেমন শ্রেষ্ঠত্বের দাবীদার তেমনি শিক্ষা-দীক্ষায়, ধর্মভীরুতায়.সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানে এ জনপদের অন্য সবের উপর রয়েছে এ পরিবারের অতুলনীয় সম্মান। যতদূর জানা যায় মরহুম দেলওয়ার খান ছিলেন এ পরিবারের একজন শিক্ষিত ব্যক্তি ।তিনি যেমন ছিলেন শিক্ষানুরাগী তেমনটি ধর্মানুরাগী এবং পরহেযগার। তাঁর দুই ছেলে সন্তান বড় ছেলের নাম মুজাম্মিল খান এবং ছোট ছেলের নাম মাহমুদ খান। মুজাম্মিল খানের ৩ (তিন) ছেলে সন্তানের মধ্যে বড় ছেলের নাম আব্দুর গাফ্ফার খান মেঝো ছেলের নাম খান জয়নাল আবেদিন ছোট ছেলের নাম মোনায়েম খান। দীর্ঘদিন থেকেই পূর্বপুরুষের ইতিহাস ঐতিহ্য ধরে রাখার মনোস্কামনায় এবং সমাজ সেবার অংশ হিসেবে নিঃস¦ার্থ ভাবে খান জয়নাল আবেদিন ”খান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট” নামে একটি ট্রাস্ট গঠনের প্রস্তাব খান বংশের সকল সদস্য বরাবর উপস্থাপন করলে তা অনুমোদিত হয় এবং ২০০০ সালে উক্ত” খান ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট” গঠন করা হয়। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ট্রাস্টের অধীন মাদরাসা,মসজিদ, এতীমখানা, হাসপাতাল সহ অন্যান্য সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ২০০২ সালে অত্র ট্রাস্টের অধীন প্রতিষ্ঠা করা হয় আল জান্নাত ইসলামিক এডুকেশন
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর জনগণের দোরগোড়ায় শিক্ষা সেবা পৌঁছে দেবার লক্ষ্যে যাবতীয় কার্যাদী সম্পাদনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার ও যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীন সকল প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনলাইনে প্রেরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জেনে আমি আনন্দিত। বৃটিশ ঔপনিবেশিক আমলে মহৎপ্রাণ ব্যক্তি বাবু মথুরানাথ কুন্ডু মহাশয়ের প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ খ্রিঃ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী কুমারখালী এম এন পাইলট (মডেল) মাধ্যমিক বিদ্যালয় । তখন থেকে প্রতিষ্ঠানটি এ এ্লাকায় শিক্ষা প্রসারে অনন্য ভূমিকা পালন করে চলেছে। উন্নত ও আলোকিত জাতি গঠনে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার জন্য বিদ্যালয়টি প্রায় ১৬০ বছর ব্যাপী পালন করছে মহান দায়িত্ব।
অধ্যক্ষের বানী লিয়াকত আলী